ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে  আতঙ্কিত হবেন না:উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন

মোঃ খোরশেদ আলম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ, কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগ, নাক কান ও গলা বিভাগ, নিউরোসার্জারি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে একটি কর্ণার চালু করা হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে দুই একজন রোগী ছাড়া ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি এবং এই রোগে বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কোনো রোগী মারা যায়নি। তাই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে আমরা আতঙ্কিত হবো না, সচেতন হবো এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে রোগটিকে প্রতিরোধ করবো।

শনিবার ৬ জুন ২০২১ইং তারিখে শহীদ ডা. মিল্টন হলে বাংলাদেশ অকুলোপ্লাস্টি সার্জনস সোসাইটি এর উদ্যোগে আয়োজিত সিম্পোজিয়ামে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন উপাচার্য ।

গুরুত্বপূর্ণ ওই সিম্পোজিয়ামে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিং অনুষদের ডীন নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, সোসাইটির সম্মানিত মহাসচিব অধ্যাপক ডা. গোলাম হায়দার, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নাক কান ও গলা বিভাগের অধ্যাপক ডা. শেখ হাসানুর রহমান।

এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ জাফর খালেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. তারিক রেজা আলী, কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ শওকত কবীর, কনস্যালটেন্ট ডা. নিরুপম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে একই স্থানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোমেশন কার্যক্রমের সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট আপডেট করা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আউটডোর পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও রোগীদের ডাটাবেজ তৈরি ও সংরক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং অটোমেশন কার্যক্রম জোরদার করার আহবান জানান।

সম্মানিত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন তাঁর বক্তব্যে অটোমেশন কার্যক্রমের আওতায় ইনডোর পেশেন্ট সাপোর্ট সিস্টেম, স্টুডেন্টস সাপোর্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানান। এসময় সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান প্রমুখসহ উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ রবিবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে প্রশাসনিক সভায় অংশ নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাউন্ড দেন। এছাড়া তিনি নির্মাণাধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অগ্রগতির বিষয়ে  উপাচার্য অবহিত করেন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ জুলফিকার রহমান খান। এসময় উক্ত প্রকল্পের উপ-পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ নূর-ই-এলাহী, একান্ত সচিব-১ সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ রাসেল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও  উপাচার্য  এইচআরডি এবং চীফ এস্টেট অফিসের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় মিলিত হন।

আরও পড়ুন...

আজ ৭ই জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

করোনার বন্ধে ছাত্রাবাসে থাকার অনুমতি : মন্ত্রনালয়ের তদন্ত কমিটি যাচ্ছে সিলেটে

সিলেটে ১৯ বছরের তরুণীকে স্বামীর সামনে ধর্ষণের  প্রধান আসামী গ্রেফতার