৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত “

ষ্টাফ রিপোর্টার : ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস উঠে এসেছে” বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ রাজনৈতিক রণকৌশলের অনবদ্য দৃষ্টান্ত: প্রখ্যাত ইতিহাসবেত্তা অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট আমাদেরকে উপহার দিয়েছে লাল সবুজের পতাকা এবং প্রিয় বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ভাষণ এবং রক্তাক্ত বাংলাদেশের জন্ম-পটভূমি একই সূত্রে গাঁথা। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আজ ১১ মার্চ ২০২১ইং তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ’ বিষয়ে আলোচনা করেন প্রখ্যাত ইতিহাসবেত্তা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস এর অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা অনুষ্ঠানে ইতিহাসবেত্তা অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের পটভূমি তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু ১০৩ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস উঠে এসেছে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ রাজনৈতিক রণকৌশলের অনবদ্য দৃষ্টান্ত। পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থার দেয়ার রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁদের ভাষায় শেখ মুজিব মানে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চে কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণাই দিয়েছেন। শরীরের ১০৩ ডিগ্রী জ্বর, প্রচ- মানসিক চাপ, পেছনে বন্দুকের নল, সামনে কামান, মাথার উপরে জলপাই রঙের হেলিকপ্টারের চক্কর এতকিছুর মাঝেও বঙ্গবন্ধু অলিখিতভাবে বাঙালির রাজনৈতিক জীবনের এক কঠিনতম সময়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে ভাষণ দিয়েছিলেন।

 

বঙ্গবন্ধু বিচক্ষণ, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, রাষ্ট্রনায়কের মতোই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে তিনি রাজনৈতিকভাবে সাপ ঠিকই মারলেন কিন্তু লাঠি ভাঙলেন না। অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস চেতনা, ধর্ম চেতনার বিষয়ও তুলে ধরে বলেন, ব্যক্তিজীবনে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

 

আলোচনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, সম্মানিত উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাবেক উপ-উপাচার্য ও বর্তমানে চর্মরোগ ও যৌনব্যাধি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার, সাবেক উপ-উপাচার্য ও বর্তমানে শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, শিশু অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইয়াকুব জামাল, সিন্ডিকেট মেম্বার অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, সিন্ডিকেট মেম্বার অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম জহুরুল হক সাচ্চু, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ডা. মোঃ হারিসুল হক, ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আকতার, বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, গবেষক ও আলোচক সুভাষ সিংহ রায় প্রমুখসহ অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ডীনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন...

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৫৬৪ , মৃত্যু ৫ ও সুস্থ্য হয়েছেন ১০ জন

নাগুড়া ফার্মে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থপনের দাবীর মানববন্ধনেে বানিয়াচং মন্দরীতে মানুষের ঢল

অনলাইন ডেস্ক, দৈনিক অনুসন্ধান

সিলেটের মহানগর হাকিম আদালতে লোমহর্ষক জবানবন্দি দিয়েছেন ধর্ষিতা তরুণী

অনলাইন ডেস্ক, দৈনিক অনুসন্ধান